কিং ফিশার ট্রাভেলস কর্তৃপক্ষ একটি আদেশ জারি করেছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের

এবার কিং ফিশার ট্রাভেলসের যাত্রীদের নামাজ পড়ার সময় দিতে হবে। শুধু তাই নয়, একইসাথে চালক, সুপারভাইজার ও হেলপারদেরও নামাজ পড়তে হবে। বাধ্যতামূলকভাবে এ কাজ করতে হবে কিং ফিশার ট্রাভেলসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। এমনই একটি আদেশ জারি করেছে কিং ফিশার ট্রাভেলস কর্তৃপক্ষ।

কিং ফিশার ট্রাভেলসের জেনারেল ম্যানেজার শামীম খাঁন বলেন, যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে ছয় মাস আগে যশোর কার্যালয়ে একটি বৈঠক হয়। বৈঠকে এমডি জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বলা হয়, যাত্রীসহ গাড়ি ছাড়ার পর যেখানে নামাজের সময় হবে সেখানে নামাজের বিরতি বাধ্যতামূলক। যাত্রীসহ গাড়ির স্টাফ নামাজ আদায় করবেন। ওই বৈঠকের এ নির্দেশনা মৌখিক হলেও তা ছিল খুবই কড়াকড়ি। তিনি বলেন, এখন সেই নিদের্শনা যেন কোনোভাবে অমান্য না হয় সেজন্য কাগজে-কলমে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ৯ অক্টোবর থেকে এটি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

জানা গেছে, ঢাকা থেকে খুলনা, পাইকগাছা ও সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগরে চলাচল করছে কিং ফিশার ট্রাভেলসের ১১টি বাস। এ বাসে অনেক যাত্রী রয়েছেন যারা দিনের পর দিন চলাচল করেন। অনেক সময় পথে নামাজের সময় হয়ে গেলে তারা নামাজ আদায় করতে পারেন না। কর্তৃপক্ষের কাছে এমন অভিযোগ এসেছে। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয়, যাত্রাপথে যাত্রীদের নামাজ আদায় করার সময় দেওয়া হবে। শুধু যাত্রীরাই নয়, নামাজ আদায় করতে হবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও।

জানা গেছে, কিং ফিশার ট্রাভেলসের এমডি জাহাঙ্গীর আলম করোনা মহামারির প্রথম লকডাউনের আগে সস্ত্রীক ওমরাহ পালন করতে যান। দেশে ফিরেই তিনি সবাইকে নামাজের জন্য তাগাদা দেন। এখন সেই তাগাদা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) দূরপাল্লার সব ধরনের বাসে যাত্রাপথে নামাজের বিরতি বাধ্যতামূলক করেছে এনা ট্রান্সপোর্ট প্রাইভেট লিমিটেড। কোম্পানির পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এনা পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দকার এনায়েত উল্ল্যাহ বলেন, আমরা নিয়মিত নামাজ পড়ার জন্য সব কর্মীদের উৎসাহিত করি। যাত্রীদের জন্য সেই সুবিধা রাখাতে নির্দেশনা জারি করেছি। কারণ যাত্রীপথে নামাজের বিরতি সবারই রাখা উচিত। এজন্যই যাত্রাবিরতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আমরা বিষয়টির নিয়মিত তদারকিও করছি।

জানা গেছে, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এ পরিবহনের জারি করা নির্দেশনা অনুসরণ করছেন এনার কর্মচারীরা। রাজধানীর গাবতলীসহ বিভিন্ন কাউন্টারে এ পরিবহনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে- ‘এনা ট্রান্সপোর্ট প্রাইভেট লিমিটেডের কর্মরত সব চালক, সুপারভাইজার ও হেলপারদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, পথিমধ্যে নামাজের জন্য যাত্রাবিরতি বাধ্যতামূলক এবং নিজেরাও নামাজে অংশগ্রহণ করবেন।’এনা ট্রান্সপোর্ট লিমিটেডের অধীনে রাজধানী ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট, কক্সবাজার, ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে বাস চলাচল করে।

এ বিষয় এনা পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দকার এনায়েত উল্ল্যাহ গত বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে সাংবাদিকদের জানান, আমরা নিয়মিত নামাজ পড়ার জন্য সব কর্মীদের উৎসাহিত করি। যাত্রীদের জন্য সেই সুবিধা রাখাতে নির্দেশনা জারি করেছি। কারণ যাত্রীপথে নামাজের বিরতি সবারই রাখা উচিত। এজন্যই যাত্রাবিরতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আমরা বিষয়টির নিয়মিত তদারকিও করছি।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*